1. admin@newsnarayanganjbd.com : newsnarayanganj :
  2. robinnganj@gmail.com : newsnganj newsnganj : newsnganj newsnganj
শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

কোচিং ও ভর্তি বানিজ্যের শিক্ষকরা বহাল তবিয়তে

নিউজ নারায়ণগঞ্জ বিডি ডট নেট
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৩৭ জন সংবাদটি পড়েছেন
কোচিং ও ভর্তি বানিজ্যে শিক্ষকরা বহাল তবিয়তে

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অসাধু চক্রের হোতারা সিন্ডিকেট করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং ও ভর্তি বাণিজ্য । গণমাধ্যমে প্রকাশ করলে সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা নামের অসাধু সিন্ডিকেটের হোতা সুজিত কুমার বিশ্বাস, ফারুক আহেমেদ, শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মাহবুবুর রহমান, মোরশেদ, শওকত আলী, হাবিব ও শওকত আলীর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ? নাকি সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়ার মতো একই কায়দায় তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাবেন । এমন প্রশ্ন অসংখ্য অভিভাবকের।
অসংখ্য অভিভাবকদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অসাধু শিক্ষক নামের একটি শক্তিশালী চক্র বছরের পর বছর যাবৎ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে জিম্মি করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে অবিরামভাবে । অভিভাবকদের অনেকেই বলেন, স্কুলে কোন ক্লাসে ঠিক মতো না পড়ানোর কারণে শিক্ষক নামধারী অপরাধী চক্রের হোতা সুজিত কুমার বিশ্বাস, ফারুক আহেমেদ, শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মাহবুবুর রহমান, মোরশেদ, শওকত আলী, হাবিব ও শওকত আলীর স্ত্রী শামীমা নাসরিন নিজেই স্কুলের ভিতরে এবং বাহিরের একাধিক স্থানে কোচিং সেন্টার স্থাপন করে চালিয়ে যাচ্ছে ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য ।
সারাবছর জুড়ে সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্রীদের শ্রেণী কাক্ষে পাঠদান না করে কোচিং করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা । সারা বছর জুড়ে এমন কোচিং বাণিজ্যের পর ডিসেম্বর মাসে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীদের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করতে নানাভাবে অভিভাবকরা যখন দৌড়ঝাপ করেন সেই সুযোগে শিক্ষক নামধারী অপরাধীদের হোতা সুজিত কুমার বিশ্বাস, ফারুক আহেমেদ, শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মাহবুবুর রহমান, মোরশেদ, শওকত আলী, হাবিবসহ আরো কয়েকজন নানাভাবে ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য । একই সাথে সরকারী উচ্চ বালকা বিদ্যালয়কে নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে গড়ে তুলেছেন শওকত আলী ও তার স্ত্রীর শামীমা নাসরিন ।
শনিবার বিকেলে এমন ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্যের তথ্য জানতে নারায়ণগঞ্জ সরকারী উচ্চ বালকা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পাওয়া গেলো এমন চিত্র । শওকত আলীর শ্বাশুড়ী ও শ্যালিকা পরিচয়ে মা ও মেয়ে বিদ্যালয়ের মাঠে ঘোলাফেরা করতে দেখা যায় । প্রশ্ন করতেই শামীমা নাসরিনের বোন পরিচয় দানকারী এক নারী বলেন, হ্যা আমার দুলাভাই যাকে আমরা বড় ভাই বলে ডাকি বিদ্যালয়ের শিক্ষক শওকত আলীর স্ত্রী আমার বড় বোন । তার কাছেই আসি প্রায় প্রতিদিনই। বিদ্যালয়ের পরিবেশটা ভালো তাই ঘুরে বেড়াচ্ছি ।
আলোচনার এক পর্যায়ে শামীমা নাসরিনের বোন সরল স্বীকারোক্তিতে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার দুলাভাই শওকত আলী বিদালয়ের ছাত্রীদের ম্যানেজ করে আমার বোন কে দিয়ে কোচিং করায় । ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য না করলে তারা শিক্ষক শিক্ষিকারা কি তরকারী বেচবে ? ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য তো এই স্কুলের সকলেই করে ! এতে দোষ কি ? সারাদেশেই এই ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য চলে । তাতে দোষ না হলে নারায়ণগঞ্জে দোষ হবে কেন ? কোচিং বাণিজ্যের হোতা শওকত আলীর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বোনের এমন দম্বোক্তিমূলক বক্তব্যের দীর্ঘ রেকর্ড করার এক পর্যায়ে তার মা কালো বোরখা পরিহিত অবস্থায় এসে দ্রুত টেনে নিয়ে যায় ।
অপরদিকে ফান্ডামেন্টাল ছাড়াও আরো কয়েকটি কোচিং সেন্টারে সকাল ও বিকেলে ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্যের বিশাল ভিডিও ধারণ করা হলেও সুজিত কুমার বিশ্বাসসহ আরো কয়েকজন শিক্ষক এমন ডিওতে ব্রুক্ষেপও করে নাই ।
ভিডিও ধারণকালে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, সুজিত বলেন আর শওকত – শামীমা বলেন সকলেই ৫ হাজার টাকা করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কোচিং চালাচ্ছে । কাকে থামাবেন ? জেলা প্রশাসনের এতো গোয়েন্দা সংস্থা থাকার পরও কেন এই কোচিংয়ের খবর তারা রাখেন না ? কোথায় কোথায় কোচিং চালাচ্ছে শামীমা, শওকত, সুজিত, ফারুক আহেমেদ, শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মাহবুবুর রহমান, মোরশেদ, শওকত আলী, হাবিবসহ অন্যান্যরা তার খবর কি প্রশাসনের কাছে নাই ? ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্যের সকল খবর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে থাকার পরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় না । এই অপরাধীরা কি কারণে তো দম্বোক্তি নিয়ে ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছে তার সকল সকল খবরই অভিভাবকেদের কাছে রয়েছে ।
এমন ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে ভিডিও ধারন ও সুনিদিস্ট প্রমাণসহ নারায়ণগঞ্জ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমের সাথে আলোচনাকাালে নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেটকে তিনি বলেন, বিগত দিনে কি হয়েছে তা আমার জানার কথা না । আমি ৫ দিন যাবৎ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি । আর কেউ যদি এমন ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকে তবে নিজ নিজ দায়িত্বে এমন অপরাধ তারা করবে । বিদ্যালয় থেকে সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে । এমন অপরাধের কোন দায়িত্র নেবে না বিদ্যালয় ।

সংবাদটি আপনার ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ বিভাগের আরও সংবাদ