জেলায় প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারী (৫০) মারা গেছেন। তবে, ওই নারীর মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করলে রিপোর্টে পজেটিভ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বন্দর উপজেলার একটি এলাকা লকডাউন করেছে প্রশাসন।

৩১ মার্চ বন্দরের ২৩ নং ওয়ার্ডের রসূলবাগ এলাকার বাসিন্দা ওই নারী ঢাকার কুর্মিটোলা হসপিটালে চিকিৎসাধিন মারা যান। এর আগে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে, করোনা সন্দেহে ঢামেক কর্তৃপক্ষ তাকে কুর্মিটোলায় প্রেরণ করে। পরে সেখানে তিনি মারা গেলে আইইডিসিআর তার নমুনা সংগ্রহ করে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ওই রিপোর্টটি পজেটিভ আসে।

এদিকে মারা যাওয়া ওই নারীকে ওইদিনই তার নিজ বাড়ি রসূলবাগে নিয়ে আসা হয় এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ওই ঘটনায় এদিন রাতে বন্দর উপজেলা প্রশাসন থেকে ২৩ নং ওয়ার্ডের রসূলবাগ এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউন ঘোষণাকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. ইমতিয়াজ আহম্মেদ, উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুল্কা সরকার, নারায়ণগঞ্জ ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম, আইইডিসিআর এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা এখন ওই এলাকাতে আছি। কাজ করছি। পরে বিস্তারিত পরে জানাচ্ছি।

নারায়ণগঞ্জে করোনায় নারীর মৃত্যু বন্দরের রসুলবাগ লকডাউন

ইউএনও শুল্কা সরকার বলেন, ২৩ নং ওয়ার্ডের রসূলবাগে ৫০ বছর বয়সী এক নারী ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে ৩১ মার্চ চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান। পরে করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে তার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর। বৃহস্পতিবার এই রিপোর্টে পজেটিভ আসে। ফলে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এর নির্দেশনা অনুযায়ি রসূলবাগ এলাকাকে লকডাউন করা হচ্ছে। তবে কতটুকু করা হবে সেটি পরে বিস্তারিত জানানো হবে।