1. admin@newsnarayanganjbd.com : newsnarayanganj :
  2. robinnganj@gmail.com : newsnganj newsnganj : newsnganj newsnganj
শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

বাদল – শওকতকে নিয়ে একটি চক্রের নতুন খেলা : বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৬৭ জন সংবাদটি পড়েছেন
বাদল - শওকতকে নিয়ে একটি চক্রের নতুন খেলা : বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা

ফতুল্লা প্রতিনিধি : ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফ উল্লাহ বাদল এবং সাধারন সম্পাদক শওকত আলীর বিরুদ্ধে চলছে নানা অপপ্রচার। ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসিন হতে না পেরে কিছু লোক তাদের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার এবং মিথ্যাচারে মেতে উঠেছেন। এদের মাঝে আবার সাইফ উল্লাহ বাদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে লাগামহীন ভাবে। অনলাইন মিডিয়ায় কেউ কেউ এমন অপপ্রচার করছে যে পত্রিকায় লেখার ভাষা এসব নয়। এছাড়া সাইফ উল্লাহ বাদল এবং শওকত আলীর নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। কিন্তু মজার বিষয় হলো ফতুল্লায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এই দুই নেতার বিকল্প কারা হতে পারেন এ বিষয়ে কোনো ধারনা কেউ দিতে পারছেন না। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এমন কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার উপর এরই মাঝে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা শহীদ উল্লাহ ঘোষনা দিয়েছেন তিনি কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না, এমনকি তিনি সম্মেলনে থাকবেনও না। তাই পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে আবারও সাইফ উল্লাহ বাদল আর শওকত আলীই নির্বাচিত হচ্ছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। তারপরেও ২/১ জন লোক তাদের সমালোচনা করছেন এবং তারা নোংড়া সমালোচনা করছেন। বিশেষ করে সাইফ উল্লাহ বাদলকে অরুচিকর ভাবে আক্রমন করা হয়েছে। আর এতে যে লিখেছে তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া কারা টাকা দিয়ে সাইফ উল্লাহ বাদলের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করাচ্ছে সেই বিষয়টিও জেনেছেন নেতাকর্মীরা।
এদিকে দলের জন্য এই দুই নেতার অবধান সম্পর্কে জানতে চাইলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের চরম দু:সময়ে এই দুই নেতাই ছিলেন শামীম ওসমানের পাশে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শামীম ওসমান যখন বিদেশে ছিলেন তখন বাদল ও শওকত শক্ত হাতে ধরেছিলেন দলের হাল। তখন তারা জনসভার আয়োজন করতেন আর শামীম ওসমান মোবাইলে বক্তৃতা দিতেন। আর ওইসব জনসভায় সাইফ উল্লাহ বাদলের অন্যতম কর্মী যুবলীগ নেতা বিন্দুর মোবাইলে বক্তৃতা দিতেন শামীম ওসমান। তখন প্রায় পৌনে দুই’শ জনসভায় মোবাইলে বক্তৃত করেছিলেন শামীম ওসমান। তখন তাদের শত চোখ রাঙ্গানী আর হুমকি ধমকির মুখেও শামীম ওসমানের পতাকাটি শক্ত হাতে তুলে ধরেছিলেন তারা। আর এ কারনেই শামীম ওসমান এদের বাহিরে অন্য কিছু চিন্তাই করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। তাই সমালোচকরা যাই বলেন না কেনো এই জায়গাটি শামীম ওসমান ঠিক কাজটিই করছেন বলে নেতাকর্মীদের ধারনা।

সংবাদটি আপনার ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ বিভাগের আরও সংবাদ