1. admin@newsnarayanganjbd.com : newsnarayanganj :
  2. robinnganj@gmail.com : newsnganj newsnganj : newsnganj newsnganj
বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

৫ কোটি টাকা না দেওয়াতে পুলিশ মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছে : দুলাল

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮ জন সংবাদটি পড়েছেন
৫ কোটি টাকা না দেওয়াতে পুলিশ মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছে : দুলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৫ কোটি টাকা চাঁদা না দেয়ায় মাদক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবী করেছেন কাউন্সিলর দুলাল প্রধান। বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে বন্দরে ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী করেন।
সাংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সম্পর্কে তিনি কোনো কটুক্তি করেননি। তিনি বলেছেন, জনৈক সাংবাদিক এসব লিখেছে। আমি তাকে নিয়ে কোনো কটুক্তি করিনি।
সাংসদ শামীম ওসমানকে তিনি তার রাজনৈতিক গুরু দাবি করে বলেন, আমার রাজনৈতিক গুরুর রাজনৈতিক গুরু আনোয়ার হোসেন। তাকে আমি অনেক সম্মান করি। তাকে নিয়ে কোনো ধরণের অসম্মান করে কথা বলতে পারি না। অসম্মান করিনি।
মাদক ব্যবসার সম্পর্কে দুলাল বলেন, আমি মাদক ব্যবসায়ী নই। আমি ষড়ন্ত্রের শিকার। ঈদের আগে নারায়ণগঞ্জে যেভাবে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হিড়িক পড়েছিলো আমি সেই মামলার শিকার। আমার কাছে তখন ৫ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিলো। সেটি দিইনি বলেই আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বানানো হয়েছে।
কাউন্সিলর দুলাল প্রধান নিজেকে অনুপ্রবেশকারী নন দাবি করে বলেন, আমি তোলারাম কলেজের বাদল-হেলাল পরিষদ আমল থেকে ছাত্রলীগ করি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। সারা জীবন আমি আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে থাকতে চাই।
সাংসদ শামীম ওসমানের কর্মী হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এটা অনেকের কাছে সহ্য হচ্ছে না। তাই আমার বিরুদ্ধে এভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
‘৫ কোটি টাকা চেয়ে না পাওয়ার কারণে পুলিশ তাকে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়েছিলো’ এ প্রসঙ্গে সেসময় কোনো রকম প্রতিবাদ কেন করেননি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাকে সে ব্যাপার বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে প্রতিবাদ করা হয়েছিলো। এলাকার মানুষ এ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে গণমাধ্যমে তীর্যক মন্তব্য করায় শহরের দুই নং রেলগেট এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ১৯ নভেম্বর প্রতিবাদ সভা করে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এই প্রতিবাদ সভাতে কাউন্সিলর দুলালকে মাদক ব্যবসায়ী ও দলের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে দাবি করা হয়। একই সাথে দল থেকে তার বহিস্কার দাবি করে বক্তব্য রাখেন দলটির নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতিও গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে হাতে দেওয়া হয়।
এর আগে ১ আগস্ট নবীগঞ্জ খেয়াঘাট এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টীম কাউন্সিলর দুলালসহ ৬ জনকে আটক করেছিলো। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক আইনে মামলা দায়ের হয়। মামলায় পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছিলেন।

সংবাদটি আপনার ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ বিভাগের আরও সংবাদ

Customized By NewsSmart