বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার হত্যার ঘটনায় মমার্মহত হয়েছি – শামীম ওসমান

0
14
শামীম ওসমান

বিশেষ প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় মমার্মহত হয়েছি। কারণ সে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। একই সঙ্গে আবরারকে হত্যায় জড়িত অভিযোগে বুয়েটের যে ২০ জন শিক্ষার্থী গ্রেফতার হয়েছে তাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে খারাপ লাগছে। কারণ যারা গ্রেফতার হয়েছে তারাও মেধাবী ছিল। একটা ছেলেকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসতে কী পরিমান কষ্ট হয়েছে তা তার বাবা-মা ভাল বলতে পারবে। শামীম ওসমান আরও বলেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরারকে হত্যার পর থানায় মামলা হওয়ার আগেই ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতীতে শিক্ষাঙ্গনে এ ধরণের হত্যাকান্ড আরও হয়েছে। কিন্তু কোন ঘটনার বিচার আজও হয়নি। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই আবরার হত্যার পর দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ তোলারাম বিশ^বিদ্যালয় কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন। ওই সময় শামীম ওসমানের আহবানে সাড়া দিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীরা আবরারের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করে।
শামীম ওসামন বলেন, অভিযোগের আঙ্গুল তোলা সহজ। কিন্তু প্রমাণ করা কঠিন। গুটি কয়েক ব্যক্তির অপরাধের দায়িত্ব সংগঠন বহন করবে না। নারায়ণগঞ্জের শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালিয়ে বলেন, তোলারাম কলেজে নাকি টর্চার সেল রয়েছে। বিষয়টি জেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাতেও উত্থাপিত হয়েছে। তখন কলেজের অধ্যক্ষ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে সবাইকে নিয়ে তোলারাম কলেজে আসেন, দেখেন কোন টর্চার সেল রয়েছে কিনা।
‘যারা এসব অভিযোগ করছেন তারা তো আর আফগানিস্তান থেকে আসেন নাই। তাদের নামের আগে অনেক বিশেষণ আছে। কেউ সাহিত্যিক কবি ইত্যাদি।’
শামীম ওসমান বলেন, ‘আপনারা এত স্বার্থপর কিভাবে হচ্ছেন। সন্তানদের খুনী সন্ত্রাসী উপাধি দিচ্ছেন। একবার চিন্তা করেন,তোলারাম কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন হলে তাতে কাদের ক্ষতি হবে? আপনার-আমাদের সন্তানদেরই ক্ষতি হবে, ক্ষতি হবে কলেজের। তাই কোন অপবাদ দেওয়ার আগে একবার চিন্তা করবেন।
তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রানী সিংহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শামীম ওসমানে স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ লেডিস ক্লাবের সভাপতি সালমা ওসমান লিপি, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ মোঃ আমিনুল ইসলাম, কলেজর সাবেক অধ্যক্ষ শিরিন আক্তার, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ মোদক প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here