কৃষি কর্মকর্তা জয়নালকে নিয়ে বন্দরে তোলপাড়

0
11
কৃষি কর্মকর্তা জয়নালকে নিয়ে বন্দরে তোলপাড়

বন্দর প্রতিনিধি : বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে কৃষি অধিদপ্তর। তার অনৈতিক কর্মকান্ডের সংবাদ প্রকাশিত হলে বন্দর উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়। এদিকে লম্পট জয়নাল পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। তার মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারীরা জানান, জয়নাল দীর্ঘ ২৭ বছর বন্দর উপজেলার উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তার পদটি দখল করে ছিল। তাই হাস্যরস করে অনেকে বলছেন, পদটিতে জয়নালের থেকে উপযুক্ত আর কেউ নেই।
সে এই পদে থেকে দীর্ঘ ২৭ বছরে সরকারি কোটি কোটি টাকাও লোপট করেছে। ভ্রমণ ভাতার নামে লাখ লাখ টাকা অবৈধ ভাবে সে হাতিয়ে নিয়েছে। সে ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী হওয়ার পরও ২য় শ্রেনীর কর্মচারীর সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছিল। সে সরকারি টাকা লোপট করে ইতিমধ্যে বন্দরের কবরস্থান রোডে ৪ শতক ও ২ শতকের ২টি প্লট, আমিন আবাসিক এলাকায় ৪ শতকের ১টি প্লট ও রূপালী আবাসিক এলাকার ৪ নং গলিতে ৩ শতকের ১টি প্লট ক্রয় করে নিয়েছে। এছাড়া তার গ্রামের বাড়ি আড়াইহাজার উপজেলায় কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক মাকেট নির্মাণ করছে। কর্মচারীরা জানান, তার কর্মকান্ডের সকল ফাইল তদন্ত করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। আর সে টাকার জোরে নিজ অফিসেই অনৈতিক কর্মকান্ড করতে ভুরুক্ষেপ করতো না। গতকাল বুধবার জয়নালের অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগ বিষয়টি আগে থেকে জেনেও না জানার ভান করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। সম্প্রতি বিষয়টি আলোচনায় আসলে লম্পট জয়নালকে অন্যত্র বদলী করে। তবে কোথায় বদলী করা হয়েছে কৃষি বিভাগ তা প্রকাশ করেনি। জয়নালের ঘটনা সংবাদপত্রে প্রকাশ হলে কৃষি বিভাগ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ গত ৮ আগষ্ট দুপুরে জয়নাল আবেদীন তার অফিন কক্ষেই মহিলা অফিস পিওনের স্পর্শকাতর স্থানে হাতাহাতি, মহিলা পেটে চুম্মন ও টেনে তার কোলে বসিয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here